মুক্তিযোদ্ধাদের নূতন প্রজন্মের মুখোমুখি দাড় করাবেন না
নাসির উদ্দিন ইউসুফ
বীরমুক্তিযোদ্ধা
আমরা
মুক্তিযোদ্ধারা অত্যান্ত অসশ্তিকর পরিস্থিতিতে এবং মনবেদানায় সময়
আতিবাহিত করছি। মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশ স্বাধীন করবার জন্য এবং জনগণের
মুক্তির জন্য পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাছিলো। কোন
পুরস্কার এর জন্য নয়। জনগনের চাইতে বেশী সুযোগ পাওয়ার জন্য নয়। কোটার জন্য
নয়। কোটা আমাদের জন্য কোন পুরস্কার নয়। জনগনে্র ভালোবাসা আমাদের জন্য
সবচেয়ে বড় পুরস্কার। “স্বাধীন বাংলাদেশ” সবচেয়ে বড় পুরস্কার। আমরা
মুক্তিযোদ্ধারা ভাড়াটিয়া যোদ্ধা নই, দেশপ্রেমিক যোদ্ধা । ৩০লাখ মানুষের
জীবন আর ৩ লাখ নারীর সমভ্রম এর বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশ আমাদের সকল
সন্তানদের জন্য। নতুন প্রজন্মের জন্য। মুক্তিযোদ্ধা-অমুক্তিযোদ্ধা বিভাজন
নয় । সকলের সমান অধিকার চাই। ৪২ বছর পর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কোটা রাখার
কোন যুক্তি নাই। প্রায় সকল যোদ্ধার সন্তানদের বয়স অতিক্রান্ত। চাকুরি বিহীন
দরিদ্র জীবন যাপন করছে। সে খবর কে রাখে না মানুষ, না রাষ্ট্র!! যদি কোন
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এখনো চাকুরি বিহীন থাকে তবে তাকে বিশেষ ব্যবস্থায়
চাকুরী দেয়া যায় । মুক্তিযোদ্ধার দোহিত্র এর জন্য কোটা আমি সমরথন করতে
পারিনা। শহীদ পরিবারের সদস্য দের জন্য, নারীদের জন্য,আদিবাসিদের জন্য সল্প
কোটা রাখা উচিত, তবে তা সবমিলিয়ে ২০% এর বেশী নয়। মুক্তিযুদ্ধের
বিরোধিতাকারী রাজাকার - আলবদর বা ধর্মান্ধ মৌলবাদীদের অনুসারিদের
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস এ নিষিদ্ধ দেখতে চাই।
সকল রাজনিতিবিদ,
বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তার কাছে আমার অনুরোধ মুক্তিযোদ্ধাদের নূতন
প্রজন্মের মুখোমুখি দাড় করাবেন না । ওরা আমাদের সন্তান। ওদের সম অধিকার
আছে এই দেশে। তবে যারা আন্দলনের নামে ১লা বৈশাখ এর মঙ্গল শোভাযাত্রার
উপকরণে আগুন দিয়েছে, মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটূক্তি করার দুঃসাহস দেখিয়েছে
তাদের অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য । তাদের শাস্তি দাবি করছি। তারা বাঙালি
সংস্ক্রিতি, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজাকারদের সন্তান।
আমরা মুক্তিযোদ্ধা, আমরা সকল মানুষের সমধিকার, গনতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশে বিশ্বাস করি।
জয় বাংলা ।
তথ্যসূত্র : https://www.facebook.com/messages/nasiruddin.yousuff.5
No comments:
Post a Comment